Tuesday, May 30, 2017

সি শার্প (ওভার ভিউ)


সি শার্প  একটি আধুনিক , অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ল্যাঙ্গুয়েজ।যেটি ডেভেলপ করে  মাইক্রোসফট।  মুলত এন্ডার হেজেল বারগ ডট নেট ফ্রেম  ওয়ার্ক নিয়ে কাজ করার সময় সি শার্প ডেভেলপ  করেন।

সি শার্প কেন?
 ১.  এতি আধুনিক এবং জেনারেল পারপাস প্রগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ
২.   এটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড
৩.   এটি কম্পোনেন্ট ওরিয়েন্টেড
৪.   শেখা সহজ
৫.   স্ট্যারকাচারড ল্যাঙ্গুয়েজ
৬.  এফিসিয়েন্ট প্রগ্রাম প্রদিউজ করে
৭.  বিভিন্ন ধরনের প্লাট ফ্রমে একে ক্মপাইল করা যায়
৮.  এটি ডট নেট ফ্রেম ওয়ার্কের একটি অংশ
  
সি শার্পের গুরুত্বপূর্ণ ফিচারগুলোঃ
১। বুলিয়ান কন্ডিশান
২। অটোম্যাটিক গারবেজ কালেকশান
৩। স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি
৪। এসেম্বলি ভারসান
৫। প্রপারটীস এন্ড ইভেন্টস
৬। ডেলিগেটস এন্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট
৭। ইজি টু ইউজ যে ন রি
৮। ইন্ডেক্সার
    

সি শার্পের ৫ টি গুরুত্বপূর্ণ ফিচার কি কি ?
১। আধুনিক
২। টাইপ সেফ
৩। ভারসানএবল
৪। অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড
৫। কম্পিটিবল

সি প্লাস প্লাসের ৫ টি অসুবিধা
১। জটিল
২। ওয়েরবের উপযোগী নয়
৩। পুওর টাইপ সেফ
৪। ভারসানিং করা যায় না
৫। পুরোপুরি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড নয়


কিভাবে সি শার্প জাভা থেকে ভাল?
১। ভারসানিং সাপোর্ট
২। অনেক প্রিমিটিভ ডাটা টাইপ

জাভার কোণ ফিচারগুলো সি শার্পে নেয়া হয়েছে?
১। গ্রুপিং অব ক্লাসেস
২। ইটারফেসেস ও ইমপ্লিমেন্টেশন
৩। রেফারেন্স ব্যবহার করে  অবজেক্ট

আজকের ইন্টেরনেটের সীমাবদ্ধতা কি কি ?
১। একবারে শুধু একটি সাইট দেখা যায়
২। সাইট ভিজিটে হার্ডওয়ার নিদ্রিস্ট মানের হতে হয়
৩। তথ্যগুলো শুধু মাত্র রিড অনলি ধরনের হয়
৪। ভিন্ন সাইটে থাকা একই  রকমের তথ্য  তুলনা করা যায় না

মাইক্রোসফট সি শার্প নির্মাণের প্রথমিক উৎসাহ কি?
উত্তরঃ ইন্টারনেটের সীমাবদ্ধতা দূর করা, এবং যেকোন তথ্য যেকোন জায়গা থেকে পাওয়া 

সি শার্প আধুনিক ল্যাঙ্গুয়েজ কেন?
১। অটো গারবেজ কালেকশান
২। ডেসিমাল ডাটা টাইপ
৩। বিশাল সিকিউরিটি মডেল




Thursday, May 25, 2017

বিগ ডাটা লেসন - ৪ ( অর্ডার এবং রং )

অর্ডারঃ
গ্রাফ আকার সময় যেসব বিষয়ের উপর নজর দিতে হবে তাদের অন্যতম হচ্ছে অর্ডার বা ক্রম। ধরা যাক আমরা একটি আয়ত ক্ষেত্র এবং তার উপরের কোনের দিকে অবস্থান করছে এমন একটি বত্ত আঁকতে চাই। তবে সভাবিক ভাবেই আগে আয়ত ক্ষেত্র এবং তারপর বৃত্ত আঁকতে হবে। এর ব্যাতিক্রম হলে হবে না। আর তখনি চলে আসে এলগোরিদম । যেটাকে উপরে রাখতে চাই সেটার কোড পরে লিখতে হবে।

রং করাঃ
সেপ রং করতে হলে fill(); ফাংশন ব্যবহার করতে হবে। প্রসেসিং এ 0-255 পর্যন্ত অঙ্ক গুলো ব্যবহার করে সেপ এর রং কি হবে ঠিক করে দেয়া হয়। এখানে 0 মানে হচ্ছে কালো এবং 255 মানে হচ্ছে সাদা। (সবচেয়ে বড় অংক ২৫৫ হবার কারন হচ্ছে কম্পিউটারের ১ বাইট মেমরির সবোচ্চ জায়গা পরিমাণ হচ্ছে এটি)


কালো চতুর্ভুজের উপর সাদা বৃত্ত এবং তার নিচে রংবিহীন ত্রিভুজঃ

 
কোডঃ
size(200,200);
fill(0);
rect(40,40,60,50);
fill();
ellipse(40,40,50,50);
noFill();
triangle (40,100,70,140,100,100);

বিগ ডাটা লেসন -৩ (একাধিক সেপ আঁকতে এলগোরিদম )

আমরা ইতি মধ্যে শিখেছি কিভাবে  নানা রকমের বেসিক সেপ যেমন- লাইন, চতুর্ভুজ, বৃত্ত ইত্যাদি আঁকতে হয়। এখন আমরা আমাদের কনসেপ্টকে আরো একটু  এগিয়ে নিয়ে যাবো। আমরা কিভাবে একটি ক্যানভাসে একাধিক সেপ আকা যায়, কিভাবে সেপগুলোতে রঙ্গয়ের ব্যবহার করা যায়। তাছাড়া শিখবো প্রসেসিং এ নির্দেশনার গুরুত্ব এবং এলগোরিদম ব্যবহার করে কিভাবে আমদের কাজ গুলোকে সংগঠিত করা যায়।

এলগরিদম হচ্ছে কোন একটি কাজ করার জন্য যে সব পদক্ষেপ বা ধাপগুলো অনুসরণ করতে হয় সেগুলোর ধারাবাহিকতা। আমাদের প্রতিদিনের কাজের সাথে এই ধাপগুলোর মিল আছে। যেমন ধরা যাক আপনার অফিস মতিজিলে। এখন আপনার প্রিয় নিরব হোটেলে খেতে যেতে চাইলে আমাকে প্রথমে মতিজিল থেকে তোপখানা রোড বরাবর ১.৫ কিলোমিটার গিয়ে বায়ে মোড় নিয়ে নাজিম উদ্দিন রোডে আরো ১.৫ কিলোমিটার যেতে হবে। 


অথবা আপনার প্রিয় খাবার আম ষত্ব বানানোর রেসিপি। উয়ভ ক্ষেত্রেই একাধিক কাজ ধারাবাহিকভাবে করে যেতে হয় উদেশ্য সাধনের জন্য। 

আম ষত্ব রেসিপিঃ

ধাপঃ ১) আম চটকে নেয়া
( মিষ্টি আমসত্ত্ব খেতে চাইলে পাকা আম আঁটি ফেলে চটকে নেবেন। আর টক মিষ্টি খেতে চাইলে কাঁচা ও পাকা আম মিলিয়ে নেবেন। সেক্ষেত্রে কাঁচা আম সিদ্ধ করে আঁটি ফেলে চটকে নিতে হবে)

ধাপঃ ২) চিনি (যতখানি আম তার সম পরিমাণ চিনি। এক কাপ আম হলে ১ কাপ চিনি। তবে নিজের স্বাদ অনুযায়ী দেয়া যাবে)

ধাপঃ ৩) সরিষার তেল প্রয়োজনমত

এখন আমরা একটি ক্যানভাসে দুটি আয়তক্ষেত্র আকবো:
size(150,150);
rect(10,10,30,10);
rect(100,100,30,10);

 

Wednesday, May 24, 2017

বিগ ডাটা লেসন -২ (Coordinate সিস্টেম এবং আকৃতিঃ)

প্রসেসিংযেএস () দিয়ে গ্রাফ আকার আগে আমাদেরকে কিছু পুরনো জিনিস জালিয়ে নেয়া দরকার। স্কুলে আমরা গনিতে গ্রাফ আকার সাথে সবাই পরিচিত। যেখানে গ্রাফ পেপারে এক্স অক্ষ এবং ওয়াই অক্সকে ভিত্তি ধরে নানা রকমের গ্রাফ আকা হতো। অনেকটা নিচের ছবির মত।

কম্পিউটারে ও একই রকমভাবে X এবং  Y এক্সিস ধরে আঁকতে হবে তবে এখানে পার্থক্য হচ্ছে কাগজের গ্রাফ পেপারে X, Y এক্সিস ধরা হতো নিচের বাম কোন থেকে আর কম্পিউটারে সেটা হবে উপরের বাম কোণ থেকে। যেমন নিচের ছবির মত।
প্রসেসিং এ গ্রাফ আকার জন্য অনেক ফাংশান আছে। ফাংশান মানে হচ্ছে আগে ঠিক করে রাখা কিছু কাজের নির্দেশনা। আমরা এই কোর্সেও প্রসেসিং এর অনেক ফাংশান ব্যবহার করবো। প্রসেসিং এর ফাংশান সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে এই ওয়েব সাইট থেকে ----।

 কোন রেখা অংকনের জন্য line ফাংশন ব্যবহারয়।
 line(1,0,4,5);

 প্রসেসিং এ যেসব আকার আকৃতি ব্যবহার করা হবে সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার নিচের গুলোঃ

 point()ঃ
 কোন সেপ বা আকার শুরুর জায়গা ঠিক করা হয় এই ফাংশন দিয়ে 
 line()ঃ
কোন সরল রেখা আকার জন্য এই ফাংশন ব্যবহার করা হয়

 rect()ঃ
 চতুর্ভুজ আকার জন্য এই ফাংশন ব্যবহার করা হয়


 ellipse()ঃ
 উপবৃত্ত বা বৃত্ত আকার জন্য এই ফাংশন ব্যবহার করা হয়
   
size():
ক্যানভাসের আকার ঠিক করার জন্য

এখন আমরা একটি  রিয়েলস্টিক গ্রাফ দেখবোঃ
এর কোড গুলো হবে নিচের মতঃ
size(200,200);
rectMode(CENTER);
rect(100,100,20,100);
ellipse(100,70,60,60);
ellipse(81,70,16,32); 
ellipse(119,70,16,32); 
line(90,150,80,160);
line(110,150,120,160);

আরো বিস্তারিত জানতে ঃhttps://www.processing.org/tutorials/drawing/



Tuesday, May 23, 2017

বিগ ডাটা লেসন -১

এই কোর্সে আমরা ডাটাকে ইমেজে রূপান্তর করার প্রগ্রামিং শিখবো। এখানে আমরা প্রসেসিং নামের একটি প্রগ্রামিং ব্যবহার করবো। এটি মুলত ডাটা ভিজুয়ালাইজেশ ন এবং গ্রাফিকস এর উপর ফোকাস করে। প্রগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এমন একটি ল্যাংগুয়েজ যা কম্পিউটার বুজতে পারে। এখানে প্রগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে কম্পিউটার কে ডাটা মানিপুলেট করতে, ইমেজ বানাতে, এবং ইন্তারেক সাহ্ন করতে ব্যবহার করা হবে। লাইন, ডাটা পয়েন্টস, স্ক্রিনে সার্কেল আকা ছাড়াও এক্স টেন্সিভ এবং ইন্টারএক্টিভ এনিমেশন বানাতে এই ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা যায়। এ ছাড়া আরো ভিন্ন ভিন্ন রকমের কাজ করা যায় এটি দিয়ে। প্রসেসিং ব্যবহারের সুবিধা হচ্চেঃ

১। কোড টাইপ করার সাথে সাথে ইমেজ চেক করে দেখা যাবে
২। ফ্রি এবং ওপেন সোরছ তার মানে হচ্ছে কোর্স শেষ করার পরে কোন পয়সা খরচ ছাড়াই কোডিং করা যাবে

বিস্তারিত কোডিং করার আগে  জানতে হবে কোডিং কি? কোড আমাদের চারদিকে ছড়িয়ে আছে। এটী আপনার স্ক্রিনে ইমেজ জেনারেট করে , ওয়েব সাইট রেন্ডার করে, এমনকি এটি আপনার টেলিভিশন, গাড়ী, এবং নিশ্চিতভাবে মোবাইল ফোন চালায়। এই কোর্সে কোডিং এর বেসিকটা জানবো যা সব ল্যাংগুয়েজই এক। তাই প্রসেসিং এ কোড করা শিখলে জেকোন প্রগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে এ ব্যবহার করা যাবে। উদাহরণ স্বরূপ এই কোডিং দক্ষতা কাজে লাগিয়ে পিএইচপি বা জাভা স্ক্রিপ্ট শিখে ওয়েব সাইট বানানো যাবে, অথবা জাভা, সি প্লাস প্লাস দিয়ে কিভাবে জটিল সফটওয়্যার বানাতে হয় তা শেখা যাবে।

প্রেসেসিং যে এস জাভা স্ক্রিপ্টের একটি পোর্ট। এটি মুলত ওয়েবের জন্য ডিজাইন করা। কোন ধরনের সফটওয়্যার, প্লাগইন  ডাউনলোড না করেই আপনার কাজের ফলাফল দেখা যাবে।   

ডাটা সাইন্স কি?
আমরা এখানে ফোকাস করবো কিভাবে ডাটা বিশেষণ করে গুরুত্ব পূর্ণ সমস্যার সমাধান করা যায়, বিশেষত বিশাল আকারের একিই সাথে জটিল ডাটা নিয়ে কাজ করাই হচ্ছে মুল উদেশ্য।ডাটা সাইন্স বহু ক্ষেত্রে বহু উপায়ে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে এখানে আমরা সেগুলোর সব জানবো না। আমরা কিভাবে বাস্তব জগতের সমস্যা সমাধানে ডাটা সাইন্স কে কাজে লাগানো যায় সে বিষয়ে জানবো। একে ব্যবহার করে আমরা বিভিন্ন দরকারি সব  ত  থ্য জানার চেস্টা করবো। যেমন  একজন বসুন্ধরার সিটী শপিং মলের একজন দোকান মালিক কোন কোণ পণ্য কেমন জনপ্রিয় এবং লাভজনক জানতে চাইতে পারেন জাতে করে তিনি সেগুলো তার দোকানে বিক্রির জন্য আনতে পারেন। অথবা আগার গায়ের আবহাওয়া অফিস উল্টা পাল্টা আবহাওয়া পুরভাবাস থেকে মুক্তি পাবার জন্য বিগত বছর গুলোর আবহাওয়ার প্যাটার্ন সম্পর্কে জানতে চাইতে পারে। এসবের উত্তর দেয়া যাবে ডাটা সাইন্স দিয়ে। এখানে আমরা বিশাল আকারের ডাটা প্রসেস করার জন্য কোড ব্যবহার করবো। নেট ফ্লিক্স নামের ভিডিও স্ত্রিমিং সাইট জানতে চায় একজন গ্রাহকের পছন্দের মুভি কোণ গুলো, যাতে করে সেগুলো গ্রাহকদের সুপারিশ করা যায়। 

একাধিক পিস ডাটা যেগুলো একাধিক ডাটা সেট একত্র করে আরো উপকারী ত থ্য পাওয়া যায়। যেমন আবহাওয়া অফিস তাপমাত্রা, আদ্রতা, এবং বায়ুর চাপ একত্র করে বস্টি হবার স্মভবনা নিনয় করে। ডাটা বোজার সুবিধার জন্য এক ফ্রম থকে অন্য ফ্রমে রূপান্তর ও করা হয় যেমন কোন ম্যাপিং প্রগ্রামে কিলমিটার থেকে মাইল রূপান্তর অনেকের কাছে ম্যাপটি সহজে বুজতে সহায়ক হবে।ইউনিভার্সিটি অব এডিলেটে অনেক গবেষণার সাথে বিগ ডাটা ও ডাটা সাইন্স সম্পর্কিত। উদাহরণ স্বরূপ সাম্পতিক সময়ে একটি গবেষণা চালানো হয়েছিল যেখানে হাজারের ও বেশি লোকের কাছ থেক ডিএনএ নেয়া হয়ে ছিল তাদের প্রজাতি ইতিহাস জানার জন্য। তার মানে হচ্ছে তাদেরকে কাজ করতে হয়েছিল কয়েক হাজার লোকের ডি এন এ নিয়ে যেগুলো প্রতিটি ডিএনএ দশ হাজার  ক্যারেক্টার দিরগ। এগুলো বিশেষণ করে শুধুমাত্র দরকারি  কিছু তথ্য বের করতে হয়েছিল যা ৫০,০০০ হাজার বছর আগে অস্ট্রেলিয়াতে বসবাসের জন্য আসা উপজাতী লোকদের সম্পর্কে তথ্য দিবে।

Monday, May 22, 2017

একটু খানি বিগ ডাটা

  • কিভাবে কম্পিউটার চিন্তা করে?
  • কোন সমস্যা সমাধানে কিভাবে কম্পিউটার ব্যবহার করা যায়?
  • কিভাবে কম্পিউটার প্রগ্রাম কাজ করে?

এসব প্রশ্নের উত্ত্র জানতে হলে প্রথমেই ফান্ডামেন্টাল কম্পিউটেশনাল থিঙ্কিং কনসেপ্ট বুজতে হবে। তারপর ডাটা সাইন্সের জন্য প্রগ্রামিং থেকে জানা হাবে প্রশ্ন গুলোর উত্তর। কোর্সের ১০ টি সেকসানে এ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।

কোর্স শেষেঃ
১। কিভাবে কম্পিউটার চিন্তা করে এবং ডাটা সাইন্সের সাথে এর কি সম্পর্ক
২। ডাটা ভিজুয়ালাইজ করার জন্য সিম্পল প্রগ্রাম বানানোর সমক্ষতা অর্জন
৩। সবশেষে কম্পিউটার সাইন্সের এডভান্স টপিক গুলোর শেখার বিষয়ে আত্তবিশবাস এবং দক্ষতা অর্জিত হবে

 সেকসান ১-ক্রিয়েটিভ কোড- কম্পিউটেশনাল থিঙ্কিং
 সেকসান ২-বিল্ডিং ব্লকস-
 সেকসান ৩-রিপিটেশান-ক্রিয়েটিং এন্ড রিকোগনাইজিং প্যাট্রান
 সেকসান ৪-চয়েজ-কোন পথ অনুসরণ করা হবে
 সেকসান ৫- রিপিটেশান-সামনে এগিয়ে যাওয়া
সেকসান ৬- টেস্টিং এন্ড ডিবাগিং
সেকসান ৭-ডাটা এড়েঞ্জিং
সেকসান ৮- ফাংশান- রিইউ জেব ল কোড
সেকসান -৯- ডাটা সাইন্স ইন প্র্যাকটিস
সেকসান -১০-তার পর কি?

 সেকসান ১-ক্রিয়েটিভ কোড- কম্পিউটেশনাল থিঙ্কিং
--------------------------
 লার্নিং অবজেক্টিভস:

 * প্রসেসিং যে এস  () দিতে কি করা যায় জানা
 * একগোরিদম কিভাবে কাজ করে বুজতে পারা
 * বেসিক প্রসেসিং যে এস ()  আপ্লাই করা এবং কালার দিয়ে কোডিং শুরু করা

এ কোর্সে বিগ ডাটার যে সব বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে সেগুলো হচ্চেঃ
১। ফান্ডামেন্টাল কনসেপ্ট
২। এলগোরিদম
৩। সিলেকশান
৪। ইলেরেশান
৫। ফাংশান
৬। ডাটা স্ত্যরাকচার

প্রথমে জানা যাক কোন কোন প্রশ্নের উত্ত্র পাওয়া যাবে এই লেখা থেকেঃ
১। প্রসেসিং ()  দিয়ে কি করা যায় ?
২। এলগোরিদম কিভাবে কাজ করে?
৩। বেসিক প্রসেসিং কি এবং কালার ব্যবহার করে কোডিং করে কিভাবে কোডিং করা যায় ?

প্রসেসিং এমন একটি ল্যাংগুয়েজ যা মুলত ডাটা কে ভিজুয়ালাইজ করতে ব্যবহার করা হয়। এটি ডাটা ভিজুয়ালাইজেশ ন, গ্রাফিক্স,

বিগ ডাটা

বিগ ডাটাকে এক ধরণের বাজওয়ার্ড বলা যায়। কেউ যখন একসাথে অনেক বেশি পরিমাণ নিয়ে কাজ করে তখনি তাকে বিগ ডেটা বলে। এই বিগ ডেটা সাধারণত আনস্ট্রাকচার্ড ডেটার ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়।

অর্থ্যাৎ, ডেটা এমনভাবে আছে যে সরাসরি ব্যবহার করার উপায় নাই। তখন বিভিন্ন এলগরিদম ব্যবহার করে সেই ডেটা থেকে নানা তথ্য উপাত্ত বের করা হয়
প্রতিদিন বিভিন্ন উৎস থকে প্রচুর পরিমাণে তথ্য পাওয়া যায়। যেমনঃ গুগল সার্চ, পাস পোর্ট স্ক্যান, বার কোড রিডিং, ভয়ে জ মেসেজ, অনলাইন শপিং হিষ্ট্রি, সিসি টিভি ফুটেজ।

ধারনা করা হচ্ছে একটা সময় বড় বড় কোম্পানি গুলোর বোর্ড অব ডিকেক্ট্ররের পদ গুলো তে দেখা যাবে কম্পিউটারের দখলে। কেননা এসব পদ্গুলোতে আসীন ব্যাক্তিরা সেসব সিদ্ধান্ত দিয়ে থাকেন তাদের চেয়ে ভাল সিদ্ধান্ত দিলেই সেটা খুব সম্ভব। এবং বর্তমান প্রযুক্তি আসতে আস্তে সেদিকেই যাচ্ছে। বিলিয়ন বিলিয়ন ত থ্য বিশেষণ করে মুহূর্তের মাধ্যে মানুষের পক্ষে সঠিক সিদ্ধান্তে আসা সম্ভব নয়। যে কাজ আবার কম্পিউটার ভাল ভাবেই করতে সক্ষম। এই গুনের কারনে ভবিস্তে পরিচালক পদে দেখা যাবে কম্পিউটারের রাজত্ব। শুধু কি তাই, ইনভায়রমেন্ট এবং পারিপার্শ্বিক সব কিছু বিশ্লেষণ করে দক্ষ মানব গাড়ী চালকের জায়গাতেও দেখা যাবে বসে আছে কোন কম্পিউটার। এছাড়া কোন এলাকার জনগণের আচার আচরণ ও বিশ্লেষণ করে সেখানকার প্রান ঘাতী কোন রোগের প্রতিষেধক আবিস্কার করে  যাদুঘরে পাঠঠাতে ও ভুমিকা রাখবে বিগ ডাটা। নেটফ্লিক্স নামের জনপ্রিয় স্ত্রিমিং কোপম্পানি তাদের দর্শক দে বিষয়ে প্রাপ্ত ত থ্য ()বিগ ডাটা বিশ্লেষণ করে সে অনুযায়ী অভিনেতা, চরিত্র, কাহিনী বাছাই করে জনপ্রিয় সব শো নির্মাণ করছে। বলা হচ্ছে ভবিস্তের দুনিয়া হতে জাচ্ছে দুর্ঘটনা মুক্ত। কেননা যানবাহন চালনার দায়িত্ব চলে যাবে ক্মপিঊয়টারের উপর যারা এই বিগ ডাটা ব্যভার করে গাড়ী চালানোর সময় সব সিদ্ধান্ত নিবে যা ফলে ভুল হবার সম্ভাবনা হবে খুবই নগণ্য। এমনকি কঠিন সব দুরারোগ্য ব্যাধির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিতে জাচ্ছে এই বিগ ডাটা। এর ফলে সামনে দিন গুলোতে অবিস্কার হয়ে যেতে পারে ক্যান্সারে মত রোগের প্রতিষেধক।

প্রতিদিন বিভিন্ন ক্ষেত্রে কি বিশাল পরিমাণ ডাটা তরি হচ্ছে সেটা ভাবলে অবাক না হইয়ে পারা যায় না। এক সোসিয়াল মিডিয়ার কথা বলা যাক। প্রতিদিন সোসিয়াল মিডিয়াতে আপ করা হচ্ছে ৫৫ মিলিয়ন ছবি , ১ বিলিয়ন ডক  করা হচ্ছে ৩৪০ মিলিয়ন টুইট সব মিলিয়ে এগুলোর পরিমাণ ২.৫ কোয়ান্ট্রিলিয়ন বাইট ডাটা ! এসব ডাটা বিশ্লেষণ করে ই জানা যেতে পারে খুবই গুরুত্ব পূর্ণ কিছু ত থ্য জা কিনা পাল্টে দিতে পারে মানব ইতিহাস।  এক মানুষের পক্ষে এত বিশাল ডাটা বিশ্লেষণ করা সম্ভব নয়, আর যদি সম্ভব হয়ও তবে সে ডাটা থেকে পাওয়া ফলাফল আর এ জীবনে ব্যভার করার উপযোগী থাকবে না , কেননা তত দিনে আর ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডাটা চলে আসবে এবং আগের সব ডাটা পুরনো ব্যভার অনুপযোগী হয়ে যাবে।

এক গবেষণায় দেখা গেছে বড় বড় কোম্পানি গুলোতে ডাটা এক্সেস ১০% বারানো হলে সেটা ৬৫ মিলিয়ন ডলার মুনাফা বারিয়ে দেয়! ২০২০ সালে একজন মানুষ প্রতি সেকেন্ডে ১.৭ মেগাবাইট ত থ্য ইয়তপাদন করবে। কি বিশাল পরিমাণ   ত থ্য! তাই খুব স্বাভাবিক ভাবেই আজকের দুনিয়ায়  জেকোন বিষয়ে সঠিক সিদ্দনাতের জন্য এসব বিশাল আকারের  ত থ্য বিশ্তেস্ন করা জরুরী। আর এই প্রয়োজন থেকেই বিগ ডাটার আবির্ভাব। বিগ ডাটা নাম থেকেই বোজা যাচ্ছে এটি আসলে কি।  আমেরিকার হোয়াইট হাউস বিট ডাটা প্রজেক্টে  জন্য ২০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের করেছে।

বিগ ডাটার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছেঃ
১। ভলিউম
২। ভেলোসিটি
৩। ভেরাইটি